ঢাকা ০৩:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে দুটি মাস্টার ট্যাংকারে এলো ৬৮ হাজার টন ডিজেল

৬৮ হাজার টন ডিজেল নিয়ে আরও দুইটি মাস্টার ট্যাংকার নোঙ্গর করেছে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে। মঙ্গলবার মধ্যে রাতে ট্যাংকার দুটি বন্দরের বর্হিনোঙ্গরে পৌঁছায়। বর্হিনোঙ্গরে কিছু ডিজেল খালাস শেষে ট্যাংকার দুটি ডলপিন জেটিতে বাকী ডিজেল খালাস কাজ সারবে।

‘এমটি টর্ম দামিনি’ মাস্টার ট্যাংকারে রয়েছে প্রায় ৩৩ হাজার টন ডিজেল। সরবরাহ করেছে ইউনিপ্যাক সিঙ্গাপুর পিটিই লিমিটেড। ‘এমটি লুসিয়া সলিস’ মাস্টার ট্যাংকারে আছে  প্রায় ৩৫ হাজার টন ডিজেল। সরবরাহকারী কোম্পানি সিঙ্গাপুরভিত্তিক ভিটল এশিয়া।

বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে দৈনিক প্রায় ১১ হাজার টনের বেশি ডিজেল বিক্রি হচ্ছে। ১২ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে সরবরাহযোগ্য ডিজেলের মজুত ছিল ১ লাখ ১৯ হাজার টন, যা দিয়ে প্রায় ১০ দিনের চাহিদা মেটানো সম্ভব ছিল। নতুন চালান যুক্ত হওয়ায় মজুত আরও দুই সপ্তাহ বাড়বে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন-বিপিসির চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান জানান, ইতোমধ্যে কয়েকটি জাহাজ এসেছে, সামনে আরও আসবে। চুক্তিবদ্ধ সরবরাহকারীদের পাশাপাশি বিকল্প উৎস থেকেও তেল আমদানির চেষ্টা চলছে। চলতি মাসে জ্বালানি তেলের সরবরাহে কোনো সংকট হওয়ার আশঙ্কা নেই।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Gojnobi biplob

Popular Post

হামের টিকা নিয়ে পূর্ববর্তী সরকারগুলো ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

চট্টগ্রামে দুটি মাস্টার ট্যাংকারে এলো ৬৮ হাজার টন ডিজেল

প্রকাশের সময় : ১২:৪৪:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

৬৮ হাজার টন ডিজেল নিয়ে আরও দুইটি মাস্টার ট্যাংকার নোঙ্গর করেছে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে। মঙ্গলবার মধ্যে রাতে ট্যাংকার দুটি বন্দরের বর্হিনোঙ্গরে পৌঁছায়। বর্হিনোঙ্গরে কিছু ডিজেল খালাস শেষে ট্যাংকার দুটি ডলপিন জেটিতে বাকী ডিজেল খালাস কাজ সারবে।

‘এমটি টর্ম দামিনি’ মাস্টার ট্যাংকারে রয়েছে প্রায় ৩৩ হাজার টন ডিজেল। সরবরাহ করেছে ইউনিপ্যাক সিঙ্গাপুর পিটিই লিমিটেড। ‘এমটি লুসিয়া সলিস’ মাস্টার ট্যাংকারে আছে  প্রায় ৩৫ হাজার টন ডিজেল। সরবরাহকারী কোম্পানি সিঙ্গাপুরভিত্তিক ভিটল এশিয়া।

বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে দৈনিক প্রায় ১১ হাজার টনের বেশি ডিজেল বিক্রি হচ্ছে। ১২ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে সরবরাহযোগ্য ডিজেলের মজুত ছিল ১ লাখ ১৯ হাজার টন, যা দিয়ে প্রায় ১০ দিনের চাহিদা মেটানো সম্ভব ছিল। নতুন চালান যুক্ত হওয়ায় মজুত আরও দুই সপ্তাহ বাড়বে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন-বিপিসির চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান জানান, ইতোমধ্যে কয়েকটি জাহাজ এসেছে, সামনে আরও আসবে। চুক্তিবদ্ধ সরবরাহকারীদের পাশাপাশি বিকল্প উৎস থেকেও তেল আমদানির চেষ্টা চলছে। চলতি মাসে জ্বালানি তেলের সরবরাহে কোনো সংকট হওয়ার আশঙ্কা নেই।