
রাজবাড়ীর পাংশা থানার সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার প্রধান দুইজন আসামিকে কুষ্টিয়ার সদর থানা এলাকা হতে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব|গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন পাংশা উপজেলার কুলাটিয়া গ্রামের হাবিবুর রহমান রাজার ছেলে ও পাংশা পৌর তরুনদলের সভাপতি হাসিবুর রহমান অন্তর (৪০) এবং পারনারায়নপুর গ্রামের মো. তায়জাল মুন্সির ছেলে মো. বরকত মুন্সী (৩৪)।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ মার্চ বিকেল সাড়ে ৪টার সময় হাসিবুর রহমান অন্তর ও মো. বরকত মুন্সীসহ অন্যান্য আসামিরা রাজবাড়ী জেলার পাংশা থানার মৈশালা বাসস্ট্যান্ডে বাসের জন্য অপেক্ষামান নারীকে একটি মাইক্রোবাসে করে উঠিয়ে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পাশবিক নির্যাতনের পর ওই নারীকে অসুস্থ অবস্থায় কুষ্টিয়া সদর থানা এলাকায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়|
এ ঘটনায় ওই নারী নিজেই রাজবাড়ীর পাংশা থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পাংশা থানায় গত ১ এপ্রিল মামলা রেকর্ড হয়| এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সংঘবদ্ধ ধর্ষণে জড়িত আসামিদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে অধিনায়ক, র্যাব-১০, ঢাকা বরাবর একটি অধিযাচনপত্র প্রেরণ করেন। এ অধিযাচনপত্রের ভিত্তিতে র্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল আসামিদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে|
এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে র্যাব-১০, সিপিসি-৩, ফরিদপুর ক্যাম্পের এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় এবং র্যাব-১২ এর সহযোগিতায় কুষ্টিয়া জেলার সদর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় আসামি হাসিবুর রহমান অন্তর ও মো. বরকত মুন্সীকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের পাংশা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে|
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১০ অধিনায়কের পক্ষে সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন।
বেঙ্গল নিউজ ডেক্স 








