
নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়ন পরিষদ সচিব রনির বিরুদ্বে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ। তার পরেও বহাল তবিয়তে আছেন সচিব রনি।
অনিয়ম দুর্নীতি শুরুটা হয় তার ছাত্র জীবণ থেকেই । ছাত্র জীবণে দৈনিক দিনকালের কেন্দুয়া প্রতিনিধি উপজেলার রামনাগর গ্রামের হারেছ ফকিরের বিরুদ্বে তিনি বলৎকার মামলা দায়ের করেছিলেন। এই মামলায় হারেছ ফকির কারাবাসও করেছিলেন।অবশেষে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে তৎকালিন কেন্দুয়ার আওয়ামীলীগ নেতা আসাদুল হকের মাধ্যমে বিষয়টির নিস্পত্তি হয়।
এ বিষয়ে হারেছ ফকির বলেন, আমাকে একটি মিথ্যা মামলা দিয়ে পরিবার ও সমাজের কাছে হেয় করেছে রনি। যার ফল আমি এখনো ভোগ করছি। ছেলেটি যে এতবড় মিথ্যাবাদি আমি কখনো ভাবতে পারিনা।
চাকরির জীবনের শুরুতে তিনি জেলার আটপাড়া উপজেলার দুয়জ ইউনিয়নে সচিব পদে চাকরী শুরু করেন। সেখানেও তিনি একের পর এক দুর্নীতি করার কারণে এলাকাবাসী ও ইউপি সদস্যরা জেলা প্রশাসকের বরাবর অভিযাগ দাখিল করেন। তারপর অপন সরকার রনির বদলী হয় কেন্দুয়া উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নে। একানে আসার পর থেকে কখনো পরিষদে জাতীয় পতাকা ইত্তোলন করেন নি। যা জাতীয় পতাকাকে অবমূল্যয়ন করার সামিল।
গড়াডোবা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব হওয়ার পর থেকে তিনি করে যাচ্ছেন একর পর এক দুর্নীতি। টাকার বিনিময়ে করেছেন মাতৃত্বকালীন ভাতার তালিকা। যা বিদ্যাবল্লভ গ্রামের বাসিন্দা ছিদ্দিকুর রহমান অভিযোগকারি হয়ে উপজেলা প্রশাসনের বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। পরবর্তীতে তা তদন্ত হয়ে প্রমানীত হওয়ার পরেও অদৃশ্য কারণে আর ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হয়নি তার বিরুদ্বে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমদাদুল হক যখন কেন্দুয়া উপজেলায় কর্মরত ছিলেন তখন গড়াডোবা ইউনিয়নের অদিকাংশ কাজ তিনি আধুনিক প্রযুক্তি অনলাইনের মাধ্যমে পরিচালিত করে রেখে গেছেন। ইউনিয়নে বসবাসরত বাসীন্দাদের হোল্ডিং টেক্স পরিশোধ অনলাইনে হওয়ার কথা থাকলেও সচিব রনি তা আদায় করছেন কাগেজের রিসিটে। যেখানে নেই পরিশেধ কারীর নাম ঠিকানা। কর ও রেইট আদায়ের রশিদ নং ৪৬০ গারাউন্দ গ্রামের আব্দুর রশিদের কাছ থেকে আদায় করা হয়েছে ৬০০টাকা, ক্রমিক ৪১৫ নেই নাম ঠিকানা আদায় করা হয়েছে ২০০ টাকা, ক্রমিক ৪৭৮ নাম করিম নেই কোন ঠিকানা। তার কাছ থেকে হোল্ডিং টেক্স বাবদ আদায় করা গয়েছে ৭০০টাকা।
নেত্রকোনা প্রতিনিধি 








