
ছবি সংগৃহিত
বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পূর্ব অংশে সৃষ্ট নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। আজ সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এটি উত্তর-পশ্চিমমুখী হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। এই ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাব্য আঘাতস্থল ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলে। এবারের এই ঘূর্ণিঝড়ের নাম ‘মোন্থা’। নামটি থাইল্যান্ডের দেওয়া।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশীদ প্রথম আলোকে বলেন, ঘূর্ণিঝড়টির সম্ভাব্য আঘাতস্থল হতে পারে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের উপকূল। আগামীকাল এটি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। আগামীকাল মঙ্গলবার এটি তামিলনাড়ু উপকূলে আঘাত হানতে পারে।
প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের নাম ‘মোন্থা’। থাইল্যান্ডের দেওয়া এই নামের অর্থ ‘সুগন্ধি ফুল’। বছরের বিভিন্ন সময়ে বিশ্বজুড়ে যে ঝড়, ঘূর্ণিঝড় ঘনীভূত হওয়ার পূর্বাভাস পেয়ে থাকে আবহাওয়া দপ্তর, পালা করে বিভিন্ন দেশ তার নামকরণ করে।
আর এটি করে আন্তর্জাতিক আবহাওয়া সংস্থা ওয়ার্ল্ড মেটিওরোলজিক্যাল অর্গানাইজেশন (ডব্লিউএমও)। ডব্লিউএমও সে জন্য পাঁচটি বিশেষ আঞ্চলিক আবহাওয়া সংস্থার (আরএসএমসি) সঙ্গে সমন্বয় করে ২০০৪ সাল থেকে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ শুরু করেছে।
আরএসএমসি তার সদস্যদেশগুলোর কাছ থেকে নামের তালিকা চেয়ে থাকে। তালিকা পেলে দীর্ঘ সময় যাচাই-বাছাই করে সংক্ষিপ্ত তালিকা করে ডব্লিউএমওর কাছে পাঠায়।
সদস্যদেশগুলোর দেওয়া প্রস্তাবিত নাম সময়ে সময়ে সংশোধন করা যাবে।সদস্যরাষ্ট্রগুলোর ইংরেজি নামের আদ্যক্ষর অনুযায়ী নামের তালিকা হয়। যেমন ইংরেজি বর্ণমালা অনুযায়ী এই ১৩ দেশের মধ্যে সবচেয়ে আগে থাকে বাংলাদেশের নাম। আর শেষে থাকে ইয়েমেনের নাম।
বেঙ্গল নিউজ ডেক্স 








