
ছবি সংগৃহিত
মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার চরাঞ্চলে বিএনপির দুই পক্ষের বিরোধের জেরে এক তরুণকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের মুন্সিকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত তরুণের নাম তুহিন দেওয়ান (২২)। তিনি মোল্লাকান্দি ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি ও দক্ষিণ বেহেরকান্দি এলাকার সেলিম দেওয়ানের ছেলে।
বিবদমান দুটি পক্ষের একটির নেতৃত্বে আছেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ওয়াহিদ রায়হান ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আতিক মোল্লা। অপর পক্ষের নেতৃত্বে আছেন সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক উজির আহমেদ। নিহত তুহিন দেওয়ান ওয়াহিদ-আতিক মোল্লাদের সমর্থক ছিলেন।
আকাশ দেওয়ান বলেন, ‘আমার চাচাতো ভাই নিরীহ। সে কোনো ঝগড়ায় ছিল না। ওয়াহিদদের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। তাই উজির আহমেদের নির্দেশে তুহিনকে হত্যা করা হয়েছে।’
এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে আছেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে ফোন করলে বিএনপি নেতা উজির আহমেদ নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। অভিযুক্ত লিটন ও নোবেলকে তাঁর সমর্থক বলে স্বীকার করেন। তবে তিনি দাবি করেন, যিনি মারা গেছেন এবং যাঁরা মেরেছেন, তাঁরা সবাই ইয়াবা ব্যবসায়ী।
মুন্সিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফিরোজ কবির বলেন, পুলিশ রাতেই মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। এ ঘটনায় যাঁরা জড়িত, তাঁদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধী 








