গাজা থেকে কাজ করা এমি অ্যাওয়ার্ডজয়ী এই সাংবাদিক আল জাজিরার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এজে+ –এর সঙ্গে কাজ করেন। বুধবার তিনি নিজের ইনস্টাগ্রাম ও এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও শেয়ার করে বিষয়টি জানান।
ভিডিওতে ওউদা বলেন, টিকটক আমার অ্যাকাউন্ট মুছে দিয়েছে। সেখানে আমার ১৪ লাখ অনুসারী ছিল, আর চার বছর ধরে আমি এই প্ল্যাটফর্মটি গড়ে তুলেছি।
তিনি বলেন, আমি ভেবেছিলাম, আগের মতোই হয়তো কিছু সীমাবদ্ধতা দেওয়া হবে, কিন্তু পুরোপুরি চিরতরে নিষিদ্ধ করে দেবে—এটা আশা করিনি।আল জাজিরা এ বিষয়ে টিকটকের কাছে প্রশ্ন পাঠিয়েছে এবং এখনও তাদের জবাবের অপেক্ষায় আছে।
ওউদার ভিডিও প্রকাশের কয়েক ঘণ্টা পর টিকটকে একই ধরনের একটি ব্যবহারকারীর নাম দেখা যায়, যেখানে একটি বার্তা ছিল— ‘কিছু ব্যবহারকারীর কাছে অস্বস্তিকর মনে হতে পারে এমন পোস্টগুলো অপ্রবেশযোগ্য।’
ওই অ্যাকাউন্টে সর্বশেষ দৃশ্যমান পোস্টটি ছিল ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ সালের, অর্থাৎ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধের পর ঘোষিত যুদ্ধবিরতির প্রায় তিন সপ্তাহ আগের।
বুধবারের ভিডিওতে বিসান ওউদা ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক মন্তব্য এবং টিকটকের যুক্তরাষ্ট্র শাখার নতুন সিইও অ্যাডাম প্রেসারের বক্তব্যের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, এগুলোই হয়তো তার অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ হওয়ার সম্ভাব্য কারণ।
বেঙ্গল আন্তর্জাতিক নিউজ ডেক্স 













